ডুমুরিয়ার মিকশিমিল সাহাপাড়া সংযোগ সড়ক: সংস্কারের অভাবে জনদুর্ভোগ চরমে

ডুমুরিয়ার রুদাঘরা ইউনিয়নে মিকশিমিল বাজার থেকে সাহাপাড়া পর্যন্ত ৫০০ ফুট দীর্ঘ ইটের সলিং রাস্তাটি বেহাল দশায় পরিণত হওয়ায় শিক্ষার্থী ও

Read More »

ডুমুরিয়ায় আর.আর.জি.টি. মিলনী বালিকা বিদ্যালয়ের নতুন নেতৃত্বকে ঘিরে প্রত্যাশার চাপ

খুলনার ডুমুরিয়ায় আর.আর.জি.টি. মিলনী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী

Read More »

দেড় হাজার বছরের ঐতিহাসিক নিদর্শন পুরাকীর্তি ‘ভরত ভায়না বৌদ্ধমন্দির’

দেড় হাজারেরও বেশি আগের পুরাকীর্তি ‘ভরত ভায়না বৌদ্ধমন্দির’। যশোরের কেশবপুর উপজেলার ভরত ভায়না গ্রামের এই বৌদ্ধমন্দির ‘ভরতের দেউল বা ভরত রাজার দেউল’ হিসেবে পরিচিত। ভ্রমণপিপাসুরা এখানে এসে খুঁজে পান মহাস্থানগড় বা পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের স্বাদ। ঈদের ছুটিতে এই পুরাকীর্তি দর্শনের হতে পারে উৎসব-অনুষঙ্গ। ভদ্রা নদীর পশ্চিম পাশে কেশবপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম ভরত ভায়না। এই গ্রামে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে আনুমানিক দেড় হাজার বছরেরও বেশি আগের এক ঐতিহাসিক পুরকীর্তি। প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা এই মন্দিরে ব্যবহৃত ইট ও প্রাপ্ত বিভিন্ন পোড়ামাটির মূর্তি গবেষণা করে নিশ্চিত হয়েছেন, এটি খ্রিস্টীয় তিন থেকে ছয় শতকের মধ্যে নির্মিত মন্দির। অনেকটা মহাস্থানগড় বা পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের মতো দেখতে এই প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শনটি স্থানীয়ভাবে ‘ভরতের দেউল বা ভরত রাজার দেউল’ হিসেবে পরিচিত। যশোরের কেশবপুর সদর থেকে ভরত ভায়না গ্রাম ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে। গ্রামটির অবস্থান যশোর জেলায় হলেও খুলনা থেকে সেখানে যাওয়া সহজ। সড়ক পথে যশোরের কেশবপুর হয়ে খুলনার চুকনগর; অথবা খুলনা থেকে চুকনগরে এসে ভ্যান, মোটরসাইকেলে যাওয়া যাবে ভরত ভায়নায়। আবার খুলনার দৌলতপুর থেকে ডুমুরিয়ার শাহপুর বাজারে সড়ক ধরে ভদ্রা নদীর সেতু পার হলে ভরত ভায়না গ্রাম। গ্রামের ইটের সোলিং রাস্তা ধরে হাঁটতে থাকলেই দেউলের চূড়া নজরে পড়বে। দেউল প্রাঙ্গণে আছে বিশাল এক বটগাছ। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ ১৯২২ সালে এই ঢিবি সংরক্ষণ করে। ১৯২৩ সালে কাশিনাথ দীক্ষিত ঢিবিতে জরিপ পরিচালনা করেন এবং মন্তব্য করেন যে ঢিবির নিচে পাঁচ শতকের প্রাচীন একটি বৌদ্ধমন্দির আছে এবং এটি সম্ভবত হিউয়েন-সাং বর্ণিত সমতটের ৩০টি সংঘারামের একটি। সে সময় তিনি কিছু সীমানা পিলারও দেন। প্রাচীন মন্দিরটি ভরত নামধারী এক প্রভাবশালী রাজা নির্মাণ করেছিলেন বলে প্রচলিত। অনুমিত মূল মন্দিরটি ১ একর ২৯ শতক জমির ওপর অবস্থিত। বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ১৯৮৫ সালে প্রথম এই ঢিবি খনন করে। এক দশক পর ১৯৯৫-৯৬ সালে পুনরায় এখানে খনন করা হয়। তখন থেকে ১৯৯৬-৯৭ বাদে ২০০০-০১ পর্যন্ত প্রতি মৌসুমে খননকাজ অব্যাহত ছিল। খননের ফলে একটি স্থাপনার ধ্বংসাবশেষের অংশবিশেষ উন্মোচিত হয়েছে, যা থেকে অনুমান করা হয় যে স্থাপনাটির উপরিকাঠামো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। এরপর প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয় খুলনা ও বরিশাল বিভাগের খনন দলের অংশগ্রহণে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ঢিবির এক-চতুর্থাংশের (উত্তর-পশ্চিমাংশ) স্থাপত্যকাঠামো উন্মোচনের নিমিত্তে খননকাজ সম্পাদিত হয়। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে পরিচালিত প্রত্নতাত্ত্বিক খনন কাজের ভিত্তিতে তিনটি স্থাপত্যিক কালপর্ব পাওয়া গেছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের করা স্কেচ থেকে জানা যায়, মোট ৮২টি বদ্ধ প্রকোষ্ঠ ধাপে ধাপে ওপরের দিকে উঠে গেছে। ঢিবির শীর্ষ ধাপটির দেওয়াল ৯ ফুট প্রশস্ত। এর মধ্যে ৬ ফুট ১০ ইঞ্চি প্রস্থের বর্গাকৃতির চারটি প্রকোষ্ঠ আছে। মূল অট্টালিকার প্রধান কক্ষটি এই প্রকোষ্ঠের ওপর নির্মাণ করা হয়েছিল। দ্বিতীয় ধাপের দেওয়াল ৩ ফুট চওড়া, এখানে বিভিন্ন আকৃতির ১৯টি প্রকোষ্ঠ আছে। ৩ ফুট ৯ ইঞ্চি চওড়া দেওয়ালের তৃতীয় ধাপে প্রকোষ্ঠ ১৮টি। সাড়ে ৩ ফুট চওড়া দেওয়ালের চতুর্থ ধাপটিতে ১৯টি বদ্ধ প্রকোষ্ঠ আছে। শেষ ধাপে ১০ থেকে ১৩ ফুট চওড়া দেওয়ালের মধ্যে ২২টি বদ্ধ প্রকোষ্ঠ আছে। তার নিচে প্রায় ১০ ফুট চওড়া প্রদক্ষিণ পথ আছে। মূল মন্দিরের চারদিকে চারটি প্রবেশপথ আছে। এগুলোর মধ্যেও এখন পর্যন্ত সাতটি প্রকোষ্ঠ দেখা গেছে। গঠনশৈলী বিবেচনায় পূর্ব দিকটাই এর মূল প্রবেশপথ ছিল বলে ধারণা করা হয়। এর নির্মাণে যে ইট ব্যবহার করা হয়েছে, তার পরিমাপ ৩৬ সেন্টিমিটার, ২৬ সেন্টিমিটার ও ৬ সেন্টিমিটার। এত বড় ইট এই অঞ্চলের কোনো পুরাকীর্তিতে ব্যবহৃত হতে দেখা যায়নি। বর্তমানের দৃশ্যমান অংশ সম্ভবত বিনষ্ট হওয়া অট্টালিকার ভিত্তি বা উঁচু মঞ্চ। স্থাপত্যিক ধ্বংসাবশেষ ছাড়াও গুপ্তযুগের একটি পোড়ামাটির মাথা, পোড়ামাটির মানুষের হাত ও পায়ের কয়েকটি ভগ্ন টুকরা, কয়েকটি মাটির প্রদীপ, অলংকৃত ইটের টুকরা, পদচিহ্ন-সংবলিত দুটি ইটের টুকরা এবং একটি মাটির ক্ষুদ্র পাত্র সংগ্রহীত হয়েছে, যা খুলনা বিভাগীয় জাদুঘরে রক্ষিত আছে। তবে বিভিন্ন সময়ে সুযোগসন্ধানী মানুষ এখান থেকে অনেক মূল্যবান সম্পদ লুটপাট করে নিয়ে গেছে। ভরত ভায়না ঘুরে আসা যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকার মারুফ আহমেদ বলেন, ভরত রাজার দেউল অনেকটা পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের মতো। এখানে আসলে যেন দেড়

Read More »

ডুমুরিয়ার বাজার সহ শোলগাতিয়া, মিকশিমিল ও শাহাপুর বাজারে ভেজাল ও নিম্নমানের বেকারি পণ্যের ছড়াছড়ি, ঝুঁকিততে জনস্বাস্থ্য

খুলনা,ডুমুরিয়া বাজার সহ শোলগাতিয়া, মিকশিমিল ও শাহাপুর বিভিন্ন  চায়ের দোকানে নিম্নমানের ও দুর্গন্ধযুক্ত বেকারি পণ্য বিক্রির অভিযোগ  ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে বন,টোস্ট,পাউরুটি ও ক্রিম রুটির মতো খাদ্য পণ্য  অনেক দোকানে  মেয়াদোত্তীর্ণ কিংবা উৎপাদনের  তারিখ বিহীন অবস্থায় বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তাভোগী ক্রেতারা। এতে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছেন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে বাজারের বিভিন্ন চায়ের দোকানে প্রতিদিন বিপুল  পরিমান বেকারি পণ্য বিক্রি হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পণ্যের মোড়কে উৎপাদনের তারিক মেয়াদোত্তীণের্র  সময় কিংবা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখ থাকে না। ফলে ক্রেতারা না জেনেই  ঝুঁকিপূর্ণ খাদ্য  গ্রহণ করছেন।অদ্য ২৯/০৮/২০২৬ইং রোজ শনিবার সকালে ডুমুরিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি চায়ের দোকানে পাউরুটি  কিনে খেতে গিয়ে দুর্গন্ধ পেয়ে তা ফেলেদেন এক ক্রেতা। অভিযোগ রয়েছে দোকানদার বিষয়টি স্বীকার করে জানান,পণ্যটি সেদিনই দোকানে রাখা হয়েছিল। এতে প্রশ্ন উঠেছে পুণ্যটি নষ্ট হয়ে থাকে,তাহলে সংশ্লিষ্ট  বেকারি কিভাবে তা পুনরায় বাজারে সরবরাহ করল? ক্রেতাদের অভিযোগ বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান মাঝে মধ্যে পরিচালিত হলেও তা  মূলত মুদি দোকান,মিষ্টির দোকান কিংবা অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সীমাবদ্ধ থাকে। এলাকাবাসীর অভিযোগ চায়ের দোকানগুলোতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান না থাকায় নিম্নমানের এবং ভেজাল খাদ্যপণ্য বিক্রির প্রবণতা বেড়েই চলেছে। স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলেছেন খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত নজরদারি না থাকলে জনস্বার্থে জন্য বড় ধরনের ঝঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষ ও সাধারণ যাত্রীরা চায়ের দোকানে প্রধান  ক্রেতা হওয়ার  তারা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত, নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা এবং মেয়াদবিহীন ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যপণ্য বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী তাদের মতে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হলে প্রতিদিন বিক্রয় কেন্দ্রকে আইনের আওতায় এনে নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে। ট্যাগস: খুলনা, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের, ডুমুরিয়া, ও উন্নয়ন, সমাজসেবা

Read More »

খুলনার ডুমুরিয়ায় ৩০ রকম জর্দার পানে আলোচিত উদ্যোক্তা মেহেদী

অদ্য ২৭/০৮/২০২৬ রোজ বৃহঃবার সকাল ১০ ঘটিকা হতে খুলনার ডুমুরিয়ায় তরুণ উদ্যোক্তা মেহেদী হাসানের বিশেষ পান বিক্রির উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কাঠালতলা বাজারে তরুণ উদ্যোক্তা মেহেদী হাসান তাঁর ভিন্নধর্মী পানের উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। তাঁর দোকানে পাওয়া যায় ৩০ ধরনের জর্দা দিয়ে তৈরি বিশেষ পান। এই উদ্যোগটি ইতোমধ্যে এলাকার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।মেহেদী হাসান কুলবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি রুহুল হাসান সরদারের ছেলে। বর্তমানে খুলনা সরকারি এম. এম. সিটি কলেজে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি কাঠালতলা বাজারের দক্ষিণ পাশে নিজের ব্যবসা পরিচালনা করেন, যেখানে পান, চা এবং ইমাদ পরিবহনের কাউন্টার রয়েছে।মেহেদী জানান, তাঁর দোকানে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ পিস পান বিক্রি হয়, যার প্রতিটি পিসের দাম ১০ টাকা। এর ফলে প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার বিক্রি হয়। শুধু ডুমুরিয়া নয়, খুলনা শহর, সাতক্ষীরা ও যশোরের কেশবপুর থেকেও ক্রেতারা আসেন, এবং অনেকেই সিরিয়াল দিয়ে পান কিনে নিয়ে যান।মেহেদী তাঁর যৌথ পরিবারে বসবাস করেন। তাঁর বাবা রুহুল হাসান সরদার কৃষিকাজে নিযুক্ত, এবং ছোট ভাই মো. জাহিদুল ইসলাম দশম শ্রেণিতে পড়াশোনার পাশাপাশি অনলাইনভিত্তিক কাজ করেন। পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতায় মেহেদী তাঁর ব্যবসা পরিচালনা করছেন।মেহেদী হাসান বলেন, ‘পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যবসা করছি। পরিবারের সবাই মিলে সুখে-শান্তিতে আছি। ক্রেতাদের ভালো মানের পান পরিবেশন করাই আমার লক্ষ্য। ভবিষ্যতে ব্যবসার পরিধি আরও বাড়াতে চাই এবং নিজস্ব স্থাপনা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।’স্থানীয়দের মতে, মেহেদীর আন্তরিক ব্যবহার এবং মান বজায় রাখার জন্য তাঁর দোকানটি অল্প সময়েই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য পানপ্রেমী তাঁর দোকানে ভিড় করেন।মেহেদীর এই উদ্যোগ খুলনার স্থানীয় খাদ্যসংস্কৃতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। স্থানীয় অর্থনীতির জন্যও এটি একটি ইতিবাচক উদাহরণ হয়ে উঠেছে। মেহেদীর ব্যবসায়িক সাফল্য অন্যান্য তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করতে পারে। ভবিষ্যতে তাঁর উদ্যোগের আরো বিস্তৃতি ঘটবে বলে আশা করা যায়।ট্যাগস: উদ্যোক্তা, ব্যবসা, ডুমুরিয়া, খাদ্যসংস্কৃতি, খুলনা

Read More »

খুলনায় স্বাস্থ্য কর্মসূচি পর্যালোচনা: জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকার শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

খুলনা বিভাগে এইচপিভি টিকা এবং ইপিআই কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও বাস্তবায়নের কৌশল নির্ধারণে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিভাগীয় কর্মশালা, যেখানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শতভাগ কাভারেজ নিশ্চিত করার নির্দ.. খুলনা হোটেল সিটি ইনে আয়োজিত দিনব্যাপী এই পর্যালোচনা কর্মশালায় খুলনা বিভাগের স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপদ্ধতি নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই সভায় প্রধানত জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে কিশোরীদের জন্য নির্ধারিত এইচপিভি টিকার সফল বাস্তবায়ন এবং ইপিআই কর্মসূচির পরিধি বিস্তারের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ১০ বছর বয়সী সকল কিশোরীকে এই টিকার আওতায় নিয়ে আসার যে জাতীয় চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তা কীভাবে খুলনা বিভাগের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় শতভাগ সফল করা যায়, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রতিবেদন গ্রহণ করা হয়। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী দশ জেলার সিভিল সার্জন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধিরা তাদের নিজ নিজ এলাকার কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরেন, যা মূলত স্বাস্থ্যসেবার তৃণমূল পর্যায়ের সক্ষমতা ও বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাগুলোকে সামনে নিয়ে এসেছে। কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ের চ্যালেঞ্জ এবং ভুক্তভোগী ও লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠীর সচেতনতার অভাবকে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা জানিয়েছেন যে, এইচপিভি টিকা নিয়ে সামাজিক কুসংস্কার ও তথ্যের ঘাটতি দূর করা না গেলে শতভাগ কাভারেজ অর্জন করা কঠিন। এই প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, শুধুমাত্র স্বাস্থ্য বিভাগের একক প্রচেষ্টায় এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল হওয়া সম্ভব নয়। তিনি মিডিয়ার ভূমিকা এবং ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ইমামদের মাধ্যমে মসজিদের মুসল্লিদের অবহিত করলে টিকার প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার অভাব বা গাফিলতি জনস্বাস্থ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, তাই প্রতিটি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীকে আরও বেশি জবাবদিহিতার আওতায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। কর্মশালায় উপস্থিত স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং ইউনিসেফের প্রতিনিধিরা এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচিকে কেবল একটি স্বাস্থ্যসেবা হিসেবে নয়, বরং একটি জাতীয় দায়বদ্ধতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রমের মতোই এইচপিভি টিকাদানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং এ ব্যাপারে কোনো ধরনের শৈথিল্য প্রদর্শনের সুযোগ নেই। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. শেখ মো: মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় প্রশাসনিক ও কারিগরি সমন্বয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ইউনিসেফের হেলথ ম্যানেজার ডা. রিয়াদ মাহমুদসহ অন্যান্য অতিথিরা প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং তথ্য ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা আনার তাগিদ দিয়েছেন, যাতে কোনো কিশোরীই টিকার আওতার বাইরে না থাকে। সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের মধ্যে এই সমন্বয় বজায় থাকলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় একটি শক্তিশালী কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে বিশেষজ্ঞরা অভিমত ব্যক্ত করেছেন। পরিশেষে, খুলনা বিভাগে এই কর্মশালার মাধ্যমে যে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, তা বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে জরায়ুমুখ ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকাংশেই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবার এই আধুনিকায়ন এবং টিকার ব্যাপক প্রচারণার ফলে কিশোরীদের স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে, যা একটি সুস্থ ও সবল জাতি গঠনের পথে বড় ধাপ। তবে এই কর্মশালার সাফল্য নির্ভর করছে মাঠ পর্যায়ে কতটুকু কার্যকরভাবে এবং স্বচ্ছতার সাথে টিকা প্রদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তার ওপর। স্বাস্থ্য বিভাগের নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ের ইপিআই সুপার পর্যন্ত প্রত্যেকের সমন্বিত প্রচেষ্টাই পারে দেশের স্বাস্থ্য খাতের এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে।

Read More »

খুলনার ডুমুরিয়া শোলগাতিয়া–রুদায়রা সড়ক: মরণফাঁদে পরিণত দীর্ঘদিনের অবহেলায়

খুলনার ডুমুরিয়া শোলগাতিয়া–রুদাঘরা সড়কটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে, দুর্ভোগে শিক্ষক, চাকরিজীবী  শিক্ষার্থী ও মৎস্য ঘের মালিকরা।খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার শোলগাতিয়া–রুদাঘরা সড়কটি বর্তমানে স্থানীয় জনগণের জন্য এক ভয়ানক বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিনের অবহেলা এবং অসমাপ্ত কাজের কারণে এই সড়কটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে, যা প্রতিদিনের যাতায়াতে প্রচণ্ড ভোগান্তি সৃষ্টি করছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও ভাঙ্গাচোরা অংশে যান চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শোলগাতিয়া রাজবংশী পাড়া সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রমেস বলেন, “মোটরসাইকেলে নিয়মিত যাতায়াত করতে গিয়ে গাড়ির যেমন ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি শরীরেও প্রচণ্ড ব্যথা হয়।” তাঁর এই কথায় বোঝা যায়, সড়কটি শুধু যানবাহনের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনে শারীরিক কষ্টও বয়ে আনছে। রুদাঘরা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আজমল তিনি জানান, সড়কের কারণে প্রতিদিনের কাজকর্মে প্রভাব ফেলছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শোলগাতিয়া থেকে রুদাঘরা পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার সড়ক। উক্ত কিছু অংশের  কাজ ঠিকাদার না দিয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান

Read More »

খুলনায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষ্যে অংশীজনদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

খুলনায় মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষ্যে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদন বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষ্যে খুলনা মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদন নিয়ে অংশীজনদের সাথে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুরে খুলনা গল্লামারী মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের সম্মেলনকক্ষে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।সভায় জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্যখাতের ভূমিকা নিয়ে আলোকপাত করা হয়। বক্তারা বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি মাছ রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হচ্ছে। জিডিপিতে মৎস্যখাতের অবদান ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ এবং কৃষিজ অবদান ২২ দশমিক ০৩ শতাংশ। তারা আরও উল্লেখ করেন যে, মাছ উৎপাদনে ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবহার বন্ধ করা উচিত। পুষ্টি চাহিদা পূরণে প্রতিদিন একজন মানুষ গড়ে ৬৮ গ্রাম মাছ গ্রহণ করছে।সরকার মৎস্যজীবীদের জন্য কৃষক কার্ডের মতো মৎস্যকার্ড প্রদানের পরিকল্পনা করছে বলে আলোচনায় উঠে আসে। এই উদ্যোগ মৎস্যজীবীদের আরও সমৃদ্ধ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা মৎস্য অধিদপ্তরের কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবরেটরির কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স ম্যানেজার মো: মুক্তাদির খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য দপ্তরের উপপরিচালক বিপুল কুমার বসাক, সিনিয়র সহকারী পরিচালক এইচ, এম, বদরুজ্জামান এবং সিনিয়র সহকারী পরিচালক এ.টি.এম. তৌফিক মাহমুদ।মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদন বিষয়ে একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সহকারী পরিচালক উজ্জ্বল কুমার রায়। সভায় মৎস্যচাষি, মৎস্যজীবী, মৎস্য আহরণকারী, বোট মালিক, নৌকা চালকসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশ নেন।এই মতবিনিময় সভায় মৎস্যখাতের টেকসই উন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা টেকসই মাছচাষ পদ্ধতি এবং দেশীয় মৎস্য প্রজাতির সংরক্ষণ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।মৎস্যখাতের উন্নয়নে সরকার এবং বেসরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন বলে মত দেন অংশগ্রহণকারীরা। তারা আরও বলেন, মৎস্যখাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং প্রশিক্ষণ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত।এই সভা দেশের মৎস্যখাতের উন্নয়নে নতুন দিকনির্দেশনা প্রদান করবে এবং মৎস্য সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।ট্যাগস: মৎস্যখাত, খুলনা, অর্থনীতি, কৃষি, টেকসই উন্নয়ন

Read More »

খুলনার শাহপুর–দৌলতপুর সড়ক: মরণফাঁদে পরিণত দীর্ঘদিনের অবহেলায়

খুলনার শাহপুর–দৌলতপুর সড়কটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে, দুর্ভোগে শিক্ষক, চাকরিজীবী ও শিক্ষার্থীরা।খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার শাহপুর–দৌলতপুর সড়কটি বর্তমানে স্থানীয় জনগণের জন্য এক ভয়ানক বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিনের অবহেলা এবং অসমাপ্ত কাজের কারণে এই সড়কটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে, যা প্রতিদিনের যাতায়াতে প্রচণ্ড ভোগান্তি সৃষ্টি করছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও ভাঙ্গাচোরা অংশে যান চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। থুকড়া কাছারী বাড়ি আরআরজিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. মজিবুর রহমান বলেন, “খুলনার নিরালা থেকে মোটরসাইকেলে নিয়মিত যাতায়াত করতে গিয়ে গাড়ির যেমন ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি শরীরেও প্রচণ্ড ব্যথা হয়।” তাঁর এই কথায় বোঝা যায়, সড়কটি শুধু যানবাহনের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনে শারীরিক কষ্টও বয়ে আনছে। থুকড়া সহকারী ভূমি কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন বলেন, “বয়রা থেকে এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। প্রতিদিন বাড়ি ফেরার পর শরীরের ব্যথায় রাতে ঘুমানো কঠিন হয়ে পড়ে।” তিনি জানান, সড়কের কারণে ব্যক্তিগত জীবনে ব্যাঘাত ঘটছে এবং প্রতিদিনের কাজকর্মে প্রভাব ফেলছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাহপুর থেকে থুকড়া পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার সড়কের কাজ ঠিকাদার অসমাপ্ত রেখে চলে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি চলছে। অন্যদিকে থুকড়া থেকে বাইপাস পর্যন্ত প্রায় ছয় কিলোমিটার সড়কের নতুন কাজের বাজেট ও টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও সরকারি জটিলতায় ফাইল আটকে রয়েছে। এ বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ নুরুল হুদা বলেন, “শাহপুর–থুকড়া অংশের অসমাপ্ত কাজ পুনরায় সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে। থুকড়া থেকে শলুয়া বাইপাস শেষ পর্যন্ত প্রায় ছয় কিলোমিটার সড়কের কাজ অনুমোদনের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ফাইল ফেরত এলে ঠিকাদার নিয়োগ করা হবে।” উপজেলা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমিটির আহ্বায়ক নুরুন্নবী খোকা বলেন, “সড়কের কারণে শিক্ষার্থীদের বি.এল. কলেজের বাসসেবাও বন্ধ হয়ে গেছে।” সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এই রাস্তা নিয়ে আর কথা বলতে ভালো লাগে না—আমরা কি অভাগার মতো চেয়ে চেয়েই থাকব?” স্থানীয়দের প্রশ্ন—আর কতদিন এই মরণফাঁদে চলবে মানুষ? সড়কটির অবস্থা যদি দ্রুত উন্নত করা না হয়, তবে জনজীবনে এর প্রভাব ভয়াবহ হতে পারে। সড়কটি মেরামত করা না হলে, দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যাবে এবং এলাকার শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন বাধাগ্রস্ত হবে। এই সড়কটি খুলনার গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক এবং এর উন্নতি না হলে তা খুলনার সামগ্রিক উন্নয়নের পথেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে। স্থানীয় সরকারের উচিত দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সড়কটির উন্নয়ন করা, যাতে করে সাধারণ জনগণের ভোগান্তি দূর হয় এবং তারা নিরাপদে যাতায়াত করতে পারে। সড়কের অবস্থা উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট ও পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি। সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করে কাজের অগ্রগতি নিশ্চিত করা দরকার। স্থানীয় জনগণ আশাবাদী যে প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এবং তাদের দুর্ভোগের অবসান ঘটাবে।ট্যাগস: খুলনা, সড়ক নিরাপত্তা, অবকাঠামো, স্থানীয় সরকার

Read More »

ডুমুরিয়ার রঘুনাথপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তিপ্রাপ্তদের পুরস্কার বিতরণ

খুলনার ডুমুরিয়ার রঘুনাথপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।খুলনা জেলার ডুমুরিয়ার রঘুনাথপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গতকাল এক উৎসবমুখর

Read More »
Scroll to Top