খুলনার দাকোপে এসডিজি গ্রামের উদ্বোধন, নতুন দিগন্তের সূচনা করলো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

খুলনার দাকোপে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা গ্রাম প্রতিষ্ঠিত।খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার পানখালী এসডিজি গ্রাম আজ একটি নতুন দিগন্তের সূচনা করলো। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র থেকে জুমের মাধ্যমে এই গ্রামের উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর সাথে ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতার। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে অভিভাবক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যারোল ফ্লোর-স্মেরেচনিয়াক।  এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য বিমোচন, জলাবদ্ধতা নিরসন, মানসম্মত শিক্ষা প্রদান, স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন, বিশুদ্ধ পানি ও আধুনিক স্যানিটেশন ব্যবস্থা স্থাপন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি। এছাড়া, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় পদক্ষেপ নেয়া হবে। এ সকল পদক্ষেপের মাধ্যমে এলাকার সার্বিক আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্য পূরণ করা হবে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং গ্রামবাসীরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত এবং কেডিএ চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম সহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও অংশ নেন।  এসডিজি গ্রাম ঘোষণার ফলে স্থানীয় জনগণ উন্নয়ন কার্যক্রমে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামবাসী তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে পারবে। সরকারের এই পদক্ষেপ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বিশ্লেষকেরা মনে করেন, এই ধরনের উদ্যোগ দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও গ্রহণ করা হলে সার্বিকভাবে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টা একটি উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। ভবিষ্যতে এই গ্রামের উন্নয়ন কার্যক্রমের ফলাফল পর্যবেক্ষণ করে অন্যান্য অঞ্চলে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা করা হতে পারে। এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।ট্যাগস: খুলনা, এসডিজি, উন্নয়ন, বাংলাদেশ, সরকার

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

অশ্রুসিক্ত বিদায়ে নাসিরনগর মাতৃকা সংঘের দুর্গা বিসর্জন লঙ্গন নদীর তীরে মোমবাতি জ্বালিয়ে দেবীর কাছে প্রার্থনা, আবেগাপ্লুত নারী-পুরুষ ও শিশুরা

বিদায়ের সুরে বিষাদময় পরিবেশ, চোখভরা অশ্রু আর বুকভরা ভালোবাসা—এমন আবেগঘন

Scroll to Top