ব্রিজের মাঝখানে মরণফাঁদ, ঝুঁকি নিয়ে যান চলাচল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ফান্দাউক-রতনপুর সড়কের আতুকুড়া এলাকায় একটি ব্রিজের ওপর বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গর্তটি ইট, পাথর ও মাটি দিয়ে অস্থায়ীভাবে ভরাট করে রাখা হলেও তা যানবাহন চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন ছোট-বড় যানবাহন ও ভারী যানবাহন ওই গর্তের ওপর দিয়েই চলাচল করছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রিজের মাঝামাঝি অংশে সড়কের পিচ ও নিচের স্তর ধসে গিয়ে বড় আকৃতির গর্ত তৈরি হয়েছে। গর্তের ভেতরে ভাঙা ইট, পাথর ও মাটি ফেলে রাখা হয়েছে। এতে গর্তটি আরও অসমতল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও ছোট যানবাহন চলাচলের সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়ক ও ব্রিজটির ওই অংশ ক্ষতিগ্রস্ত থাকলেও স্থায়ীভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যানবাহনের চাপ ও বৃষ্টির পানিতে গর্তটি দিন দিন বড় হচ্ছে। বর্তমানে যেকোনো সময় গর্তের পাশের সড়ক আরও ধসে গিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ফান্দাউক-রতনপুর সড়কটি এলাকার মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ পথ। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ সড়ক দিয়ে চলাচল করেন। ব্রিজের ওপর এমন ঝুঁকিপূর্ণ গর্ত থাকায় পথচারী ও যানবাহনের চালকদের আতঙ্কের মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে।
তাঁদের দাবি, দুর্ঘটনা ঘটার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে গর্তটি স্থায়ীভাবে সংস্কার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ব্রিজটির সামগ্রিক অবস্থা পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় মেরামতের ব্যবস্থা করারও দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত সংস্কার না করা হলে গর্তটি আরও বড় হয়ে ব্রিজের কাঠামোগত ক্ষতির কারণ হতে পারে। এতে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তৈরি হবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত নজর দিয়ে ব্রিজের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কার এবং নিরাপদ যান চলাচল নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

অশ্রুসিক্ত বিদায়ে নাসিরনগর মাতৃকা সংঘের দুর্গা বিসর্জন লঙ্গন নদীর তীরে মোমবাতি জ্বালিয়ে দেবীর কাছে প্রার্থনা, আবেগাপ্লুত নারী-পুরুষ ও শিশুরা

বিদায়ের সুরে বিষাদময় পরিবেশ, চোখভরা অশ্রু আর বুকভরা ভালোবাসা—এমন আবেগঘন

Scroll to Top