জামালপুরের সীমান্তঘেঁষা দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদসহ আব্দুল মালেক (৫০) নামের এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একটি চৌকস দল। এ নিয়ে ৬ষ্ঠ বারের মতো পুলিশের হাতে আটক হলেন এই মাদক কারবারি।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পাররামরামপুর ইউনিয়নের পাথরের চর চেংটিমারী এলাকায় এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. তোফাজ্জল হোসেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দেওয়ানগঞ্জের ডাংধরা ও পাররামরামপুর সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র অবৈধ ভারতীয় মাদকের কারবার চালিয়ে আসছিল। মঙ্গলবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ দেওয়ানগঞ্জের পাথরের চর চেংটিমারী এলাকায় অভিযান চালায়। আটক আব্দুল মালেক যিনি ওই এলাকার মৃত শফি উদ্দিনের ছেলে—তার দোকানের পেছনে আব্দুল জলিলের পুকুরের হাইওয়ে সড়কসংলগ্ন কচুরিপানার নিচে অত্যন্ত কৌশলে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ উদ্ধার করে পুলিশ।
উদ্ধার করা ৮৮ বোতল মদের মধ্যে রয়েছে:
ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট : ৩৩ বোতল, হুইস্কি (বিশেষ ব্র্যান্ড): ২৩ বোতল , ইউস্কি: ২০ বোতল, ভটকা: ১২ বোতল
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে, গ্রেপ্তারকৃত মালেক এলাকার একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি। বিভিন্ন সময়ে সীমান্ত পার হয়ে আসা ভারতীয় মদের চালান রিসিভ করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়াই ছিল তার মূল কাজ। এর আগেও সে একই অপরাধে ৫ বার গ্রেপ্তার হয়েছিল। এ নিয়ে ৬ষ্ঠ বারের মতো সে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ল।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. তোফাজ্জল হোসেন জানান, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সফল অভিযান চালিয়ে ৮৮ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধারসহ কুখ্যাত মাদক কারবারি আব্দুল মালেককে আটক করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই জিরো টলারেন্স অভিযান অব্যাহত থাকবে। আটকের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।” সীমান্তবর্তী এই এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এমন কঠোর অবস্থানে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।




