খুলনার কয়রা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ চন্ডিপুর-খিরোল সড়কটি অতিরিক্ত ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে ক্রমশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গিয়ে ভাঙাচোরা ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, ফলে পথচারীরা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে চলাচল করছেন।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, ১ নম্বর আমাদী ইউনিয়নের ৩ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত এ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ২০২৪ সালে সড়কটির পিচ ঢালাই সম্পন্ন হলেও পরবর্তীতে বড় বাস, ট্রাক এবং তরমুজবাহী ভারী যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। এর ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক স্থানে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বেপরোয়া গতিতে যানবাহন চলাচল শিক্ষার্থীদের জন্যও গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেছে। সড়কের পাশে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায় অভিভাবকরাও চরম উদ্বেগে রয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। তারা দ্রুত সড়ক সংস্কার, ব্যারিকেড স্থাপন এবং ভারী যানবাহন নিয়ন্ত্রণের জোর দাবি জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে সড়কটি রক্ষা করবে। তাদের মতে, চন্ডিপুর ও খিরোল প্রান্তে ব্যারিকেড স্থাপন করে বড় ট্রাক ও বাসের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হলে সড়কের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস পাবে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করে বলেন, দ্রুত সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ না করা হলে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি সম্পূর্ণভাবে অচল হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে তারা জরুরি ভিত্তিতে সরকারি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জনস্বার্থে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে—এমন প্রত্যাশা এলাকাবাসীর। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহলও সড়ক রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে এবং এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও টেকসই হবে। অন্যথায় জনদুর্ভোগ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করা।